Saturday, 4 April 2020

ভাওয়াইয়া-দোতরা পত্রিকা অষ্টম (০৮) সংখ্যা বাইর হইল ০৫-০৪-২০

মাড়েঞার কলমত--
মহাশয়/মহাশয়া;
"হামরা দিনের শ্যাষত সগায় একে ঘাটার সওয়ারি"---
হামরা সগায় গোটা দুনিয়ার সাথে সাথে হামরাও একখান ভয়ের মধ্যে দিয়া দিন গুলা ফুরির লাগছি। জিউ শুকি যায় কলিজা ফাটিয়া যায় 
তাও বাঁচি বার হাউস না ফুরায়। হামরা সগায় কামনা করি এইলা বয়া দিন ঘুচি  যাক পছকরি।


__________________________________________

                                             ভাওয়াইয়া-দোতরা
সারিন্দা                                 সংখ্যা :অষ্টম (০৮) 
দুর্গেশ বর্মন                                 ০৫-০৪-২০

বাও বাতাসে ফুলের নাকান বেড়ায় গান।
পাছিলা সাড়ি উল্টি পরা, তাও নাগার তালিম- আব্বাসউদ্দীন মুখে মুখে শুনা যায়, বাউদীয়া করিবে পালা হেমার সংসাতো বোঝে না, গান মানে কি ?

বোঝে বাচি থাকা
কোনটে গাড়িয়াল কোনটে মৈষাল
চলছে গানের মেলা।
হেমার সংসার আজি সারিন্দা।
__________________________________________

  উদাসু                               ভাওয়াইয়া-দোতরা
সুধাংশু বর্মন                         সংখ্যা: অষ্টম (০৮) 
                                                  ০৫-০৪-২০
উদাস হয়া আছো বসি
ভাবিয়া না পাং কূল
ক্যাংকরি কাটামো
জীবন গিলা যে ধরিসে ঘুন।
বাপ্ ঠাকুরদার মুখত যত
শুনিসুং ব্যাধির নাম,
সেকা ট্যাঙ্গা খায়া সেলা
ব্যাধি পালাইসে ভিটা ছাড়ি।
বর্তমানের কাথা কিকবুরে ভাই
ওগ বিয়াদির জ্বালায় হামা
ঘর থাকি নাবিরাই।
এমন অসুখ আসিল ভাই
কিছুই না যায় করা,
ঘর থাকি বিড়াইলে ভাই
শাসায় খালি করোনা।
হিকান করোনা,হুকান করোনা
এতই বাঁধা ভাই
কাজ না করিয়া জীবন গিলা
জিয়ামও কেমনে ভাই।
উদাস হয়া আছো বসি
ঘরের কোনাত ভাই
আতি - দিনে সমান হুসে
বুঝিবারে না পাই।

__________________________________________

নিখোঁজ খোঁজে                  ভাওয়াইয়া-দোতরা    বিষ্ণু রায়                              সংখ্যা:অষ্টম (০৮)                                                   ০৫-০৪-২০

যা কিছু হারাইসে জীবন থাকিয়া,
                 তারে কি আর পাইম খুঁজিয়া।
অথাও জলোত ডুব দেও শেষে,
                  যদি পাও কুনোদিন ফিরিয়া।
নদীও হইসে আজি নিধুয়া বালুর চর,
                    শুকিয়া গেইসে নদীর জল।
বালুর উপুরাত গড়ামোড়ি দেও মুই,
                         হাস্তেয়াও না পাও তল।
মিছার জালোত সেইত্য‌ বন্দি আজি,
                       আপন মানষি হইসে পর।
নিজেই নিজের পেটত ছুরি চালাছি,
               হামেরা আজি বড়োয় স্বার্থপর।
পূর্নিমার চাঁনটাতো গ্ৰহন নাগিসে,
              চাঁনের অঙ্গ আজি হইসে কালা।
সমাজটা আজি ভর্তি রাহু কেতুতে,
             হাতোত নিয়া ছলচাতুরির মালা।
টেকসো উঠকিয়া ঘাটিয়া দেখো মুই,
              আছে কতো মনি,মানিক্য,রতন।
ছলচাতুরির জালোত বন্দি আজি,
               হামার "গর্বের"সাত রাজার ধন।
ভাবিলে বুকখান কাঁপিয়া উঠে,
                     মোচড়ে উঠে কলিজা খান।
নিখোঁজের খোঁজে চলিতে থাকিম মুই,
                  প্রয়োজনে জীবন করিম দান।
__________________________________________

আপসোস                        ভাওয়াইয়া-দোতরা
বিবেক রায়                           সংখ্যা:অষ্টম (০৮) 
                                                   ০৫-০৪-২০
খালি আপসোস করিতে
বেলা ভাটি যায়
কত কিছু ফুড়িয়া গেইল
এ কয়দিনে মুই দেখিলুং জীবন ক্যামন হয়
না নাগে আরো এমন জীবন
মুই রেহাই চাঙ ইবার
তোর কাছ থাকি
আজি না সোপন আছে-না আশা জাগে
সবে কিছুই যেন হাতের নাগালের বাইরোত চলি গেইল
বিশাল আকাশ থাকিয়াও
খাঁচার পখির মতন জীয়া আছোং
এলাও ঘাটা খান পড়ি আছে
মুইও যে মানষি ভুলি জাঙ ও জীবন
মনের বল হাড়েয়া
হাল ছাড়ির কাথা ভাবোং
আরো কত সূর্য গ্রহণ দেখিম ।


__________________________________________

আইসো সগায়                      ভাওয়াইয়া-দোতরা
অভিজিৎ বর্মন                     সংখ্যা:অষ্টম (০৮)                                                   ০৫-০৪-২০
উত্তরবঙ্গ গৈরব হামার
আর কামতার মাটি,
পবিত্র মোর উজ্জন ভুই
সোনার চাইতে খাঁটি।

চা তাঙ্কুর আবাদ করি
দুনিয়া সুদ্ধে জানে,
বৈদেশা বন্ধুর মন ভরি যায়
হামার ভাওয়াইয়া গানে।

উজ্জন নিছে এই দ্যাশতে
ঠাকুর পঞ্চানন,
আর উজ্জিছে সোনার ছাওয়া
সপোনা বর্মন।

তাওবা ক্যানে হামরা এলাঙ
অবহেলাত পরি,
উমার গোলাম থাইকমো না আর
আইসো সগায় নড়ি।
__________________________________________

বিয়াও পাগলা                      ভাওয়াইয়া-দোতরা
পুজা রায়                             সংখ্যা: অষ্টম (০৮) 
                                                   ০৫-০৪-২০
বিয়ার বয়স পার করিয়া
হলুং আজি বুড়া,
চুল পাকিছে দাড়ি পাকিছে
চলে না আর দেহা।

মনটা মোর খুলবুলায়
বিয়াও করির বাদে,
রাইতোত মুই ছটফটাং
নিন্দে না ধরে।

বয়সটা মোর বুড়া হইছে
বাপ মাও মোর বোঝে না,
কায় পরাবে গলাত মালা
এমন কৈন্যা মেলে না।।
__________________________________________

বাউদীয়া                            ভাওয়াইয়া-দোতরা
বিপুল বর্মন                             সংখ্যা:অষ্টম (০৮)
                                                 ০৫-০৪-২০
বেলাটায় বুঝি ডুবি গেইল
সইন্ধ্যা হইতে বাকি নাই
এলাও বসি বসি ভাবং
তুই আছিস কি নাই ।

ক্লান্ত পাখিলাও বাসাত আসিয়া
মোক কয় ক্যানে আছিস বসিয়া?
এলাও বসি বসি ভাবং
তুই কি আসবু না আর ফিরিয়া ?

আলো আন্ধারের রঙের খেলাত
আজি হারে গেইল মোর ছায়া,
এলাও বসি বসি ভাবং
তোর কি একনাও নাই মায়া ?

মোর চেনা নদীটাও পুচ্ করে
মুই বোলে মানষিটায় অচেনা,
এলাও বসি বসি ভাবং
তোর কি সউগ ছিল ছলনা ?

নিঃশ্বাস নিবার না পাং কইন্যা
আর না থাকং ফাকতে বসিয়া,
এলাও বসি বসি ভাবং
সচাং বুঝি হইছং বাউদিয়া ।
__________________________________________

 বেটিছাওয়া                        ভাওয়াইয়া-দোতরা
 ডোনা রায় বসুনিয়া               সংখ্যা:অষ্টম (০৮) 
                                                 ০৫-০৪-২০
কি কোম আর মনের কথা
চিত্তে না ধরে প্রাণের ব্যথা
হামা হলি বেটিছাওয়া,
হামার ঘরত আছে ছাওয়া
ঘরের কাম আর ছাওয়ার কান্দন
দুই সামলাইতে গেইল জীবন
কাম কাজ ছারাও যে জীবন আছে,
তা ভাবিবার কি আর হামার কপাল আছে,
 হামারা হলি বেটিছাওয়া
হামার বাহারত যাওয়াও মানা
যত খুশি আন্দোবারো
কাজ কর্ম গিলা তামানে কর।
আরও যদি বাঁচে বেলা
শাশুড়ি কবে-
কালিকার কাম গিলা আগে থোন এলা,
ঘরের বাইরত হামার যাওয়া মানা
বই পড়া স্বপন হামার দেখাও মানা
হামা হলি বেটিছাওয়া
হামার জাগিয়া স্বপন দেখা মানা ।
মাইয়া মানষির বড় কথা
হামার সমাজ পায় ব্যথা।
বেটাছাওয়া গিলাক মুই বুঝাং ক্যাংকুরি
বেট্টিছাওয়া বেট্টাছাওয়া যে স্বয়ং ভগ্গোবানের সৃষ্টি ।
__________________________________________


লেখা পাঠান : 8972937007
                       rbarman199881@gmail.com

সোমবার থাকি বৃহস্পতিবার 


Saturday, 28 March 2020

ভাওয়াইয়া-দোতরা প্রকাশিত সংখ্যা ;সপ্তম (০৭) ২৯-০৩-২০২০




চেংড়িটা
র্নিমল বর্মন
আউলা ঝাউলা চুল, ছিড়া ফাটা জামাত অক্ত নাগা গোটা দেহা।
এইনাকান রূপত ছোট্ট একটা চেংড়ি
নাই নইজ্জা শরীরৎ দাঁড়ে রইল
পুলিশ স্টেশনের কোয়ারিৎ
ঝিৎ নাগা চখুর ভিতিরাত পুড়ি যাওয়া একটা জ্বালা
এক্কেমুখে কানোত বিঁধাইল উঁচা গালাত
স্যার, স্যার মুই কি? ----।।


করোনা
বিষ্ণু রায়,

সর্বনাশা করোনা ভাইরাস,,
                      হায়রে জীবন বিনাশি‌।
কান্দে ওরে তামান হারেয়া,,
                                 এই বিশ্ব বাসি।

বিধির বিধানে চীন দেশে,,
                         করিলেক অনাচার।
তার থাকিয়ায় হইলেক সৃষ্টি,,
                          ভাইরাস করোনার।
মরেছে মানষি কতো শতো,,
                                  হয়া অসহায়।
ভয়ঙ্কর এই মহামারী,,
                        আসিলেক দুনিয়ায়।

আর করোনার এই আক্রমণে,,
                                ভাই,বইনি,গন।
মরেছে পরিয়া চাইড়োপাখে,,
                               বিশ্বের জনগণ।
ভয় পান না বিশ্ব বাসি,,
                              হও রে সচেতন।
ভারত সরকার পণ করিসে,,
                     করিবে করোনা নিধন।



সৌগে কপাল
পুজা রায়।

বান দেওয়ানির পোড়া কপাল
বাড়ে দিনকে দিন
আঁশি বিঘা জমি আজি
হইছে কাটা তিন।।

নাম কইলে বান দেওয়ানি
সগায় তাক চেনে
তারে ব্যাটা মদ খায়া
ঘাটাত পরি থাকে।।

আঙিনাত বসি বান দেওয়ানি
কান্দি কান্দি কয়
উনার নিলায় রাজা ফকির
ফকিরে রাজা হয়।

মনত মোর এতো দুঃখ
থুবার জাগা নাই
রাতি ফুরাইলে মানষির বাড়িত
কামাই করির যাই।।
ভাইগ্য হইল ঘড়ির কাটা
নক্কে নক্বে ঘুরে
উঁচা ডালের পখিটাও মাটিত
ধাপ্পাস করি পড়ে। ।


অস্তির সূর্য(ব্যালা)
     রমেন বর্মন


পেটলি বেটিছাওয়াটারও আজি নিন ক্ষরে গেইচে...

একটায় চিন্তা
উয়ার একটায় সৈন্তা....
যদি নিভি যায় কায় দিবে বাতি...

একমুটি ভাত প্যাটোত ঢোকে না
কোটে থাকি কি আসিল আপোদ 'করোনা'...

আগোত আচোলো বসন্ত, কালাজ্বর আরও কলেরা
ডাক্তার কবিরাজ যদি বাটি খোয়াইস তাও ছাড়ে না...
অ্যামোন করোনা...

'পিতিবির অসুখ'
শাস্ত্র মানে না....
গাওবান্ধ মাওয়ের কান্দন কানোতো পড়ে না?

তাও মুই চুপ!
একদালা মাটি মুখোত কামড়ে নিয়া...
যদি কোনো 'হাততালমানা' ডাক্তার পাং...

আজি অস্তির সূর্য...
কোনো ভাষা পায়চেনা...
হাত দুটো নুলা করি উয়ায়ও কাকবা কি কবার নাগিচে..
মুই কিন্তু বুজির পাচুঙ...




তিস্তা
প্রবীর রায়

তিস্তা তুই নদি তা হামরা সগায় জানি
তোমার গোরে আছে কত পিরিতিময় কাহিনী
আছে সবুজ জঙ্গল, দখলকরি মারামারি কাটাকাটি, তোমা বুকুত যত ঘরবাড়ি
তোমার পারত হলুদ মাখা বালি যা দিয়া হয় সাধের ঘরবাড়ি।
সকাল সইঞ্জা মাথা ঝস ফেলে উদবাস্ত ছিটমহল ঘুরিবেড়া পখি।
তিস্তা তুইও লম্বা নদী আঁকা বাঁকা; কত নাম জানি,
ঢকে তুই যৌরাণী, হইস তিস্তা নারী, হইস তিস্তা বুড়ি,
হইস তুই বগলে গাওয়ে দেবী পাটেশ্বরী।
তোমার জলধারার জন্য কতলা না রাজনীতি;
ক্যাং করি হুবে ভাগা -ভাগি।
কাঁটাতারের দুইপারে তোমাক নিয়া যত ডেকাডেকি।



মিছিল
রোহিত বর্মন

দল বান্দি যায় কত লোক, নাঠি ঠ্যাংয়া খোচা যে হাতোত। ভয়ে গাও খান কাঁপে আরো ঝিনিত করে যে ওঠে কেনে? বাঁশ কাটে খড়ি নিয়া যায়।
জিও খান হাউ হাউ করে--

মিছিল শ্যাষ সগায় যায় বাড়ি, নাঠি ঠ্যাংয়া পুড়িয়া ছাই'র, ভিড়া!




হে বিশ্ব দ্যাবতা
সঞ্জয় বর্মন

তুই আলো দে
তুই জ্ঞান দে
তুই দে জোনাক আইত
দেহার ত্যাজ,,,,

ঘড়ে ঘড়ে জ্বলুক শঙ্খ প্রদীপ
দে সুখ
দে শান্তি
ছড়ুক ভালোবাসা
ভৈ ভৈয়া হৌক আলোর রোশনাই
ফলে ফুলে পিরথিবীৎ শুনির চাঞ পখির ড্যাক।

হে বিশ্ব দ্যাবতা
তুই দে জ্ঞানের আলো।


রাজবংশী
                 প্রীতিলতা রায়

  হামরা হনি দেশী মানষি দেশি কতা কই ।       
খোকরা পনতা না খালে যে প্যাট করে চইচই। সকাল,দুপুর, আতি যদি না খাই এক প্যাট।   
ভালো মন্দ কতায় হামরা করি ক্যাট -ক্যাট।   
 
 সিদলের আওটা দিয়া যদি আনদিসে শিঙি মাছ।   
 ওইটে কোনায় নোকর- পোকর ওইটে হামার কাজ ।
একপ্যাট খায়া গেলি দিনদুপুরে নিন।
নিন থেকে উঠিয়া কবার না পাই আতি না দিন। 
বেলাটা যেলা যাও যাও ভাব গেলুং গোরু আনির।     
ওইটে আরও গল্প জমিল মোর আর মণির।   
 বাড়ি আসিয়া দ্যাখেছোং তায় বেটা বিড়াইসে হাট।
কালা চুলি বায় নাল করিসে কত যে ঠাটবাট ।
সঙ্গে আরও দিসে বায় ঠক ঠকিয়া মুরগা ছাট।
 মোর দিন বায় চলি গেইসে এলা তোমারে দিন। 
মুই বেশি কতা কলে কয় হামার বুড়াটার নাই নিন।

Saturday, 14 March 2020

"ভাওয়াইয়া-দোতরা পত্রিকা" ষষ্ঠ সংখ্যা প্রকাশিত



বনের ভিতিরা যাঙ
অজিত অধিকারী

জীবন শুকিয়া গেইলে বনের ভিতিরা যাঙ
সাথত নেঙ ঝকঝকা এখনা কবিতার বই
পাতা - ছাওয়া সূরজের নীচত হাটুপাতি বইসঙ
শিশির পরার নাখান বাজি ওঠে গান
বাজি ওঠে এখনা আলো হি দ্দের টান
হাওয়াত দোলে কচি পাকড়ির পাতা
আহা! তোকে ভালোবাসঙ নির্জনতা
পাতার আশুরবাদ নিবার বাদে দুই বমহাত তোলঙ
তোকে ভালোবাসিয়া সব দুস্খ ভোলঙ
আরো ভিতিরা দ্যাখঙ সব হয়া আছে ঝিৎ
ভালোবাসঙ বনের চুপাচাপ হিত

জীবন শুকিয়া গেইলে বনের ভিতিরা যাঙ
বনের ভিতিরা গেইলে কত আয়ু ফিরিয়া পাঙ


চেতনা
  বিষ্ণু রায়,

নারীর দেহা নরম দেহা,
                           খাইতে ভারি মিষ্টি।
নারীর দেহা লোভের দেহা,
                          সেই বিধাতার সৃষ্টি।
পাইলে একলা যায়না থাকা,
                      বন্ধো করেন আন্ধারে।
মানিলে ভালো, নাহলে অস্ত্র ধরেন,
                  জাত বিচার নাই অন্তরে।
হয়তো কাহারো আদরের বইন,
              কুনো মায়ের কোলার শিশু।
তাতে তোমার কি আইসে যায়,
                      তোমরা যে হিংস্র পশু।
কামনার অগুন জ্বালান তোমরা,
                দেখিলে পরে নানীর অঙ্গ।
একলা পাইলে অসহায় নারীক,
                      করেন কতো যে ব্যঙ্গ।
পোশাকে নারীর বিচার করেন,
                        শরীরটা থাকে ঢাকা।
নোংরা মনের মানষি তোমরা,
          তোমার বিবেকটা হইল ফাঁকা।
যেমন কর্মের তেমন ফল,
                           পূর্ব পুরুষের বানী।
তুইও একদিন বাপ সাজিবু,
       বুঝিবু সেদিন নারী দেহার গ্লানি।



"শ্রী বিনন্দ বর্মন"
          রমেন বর্মন

এই তো মোরে বোধে...
বিনো বালা দিদির চোকুর নদী জোরা হলহল করি নামি গেইল...

সেদিন কৃষ্ণকালা আন্দার...
দ্যাওবার!
২০০২ সনের ব্যালার গোড়ত...

ডিঘির পাড়োত বসি ম্যাঘের নাকান চুলের খোপাটা খুলি
পেরায় আটারো বছরের গাঁথা মহাকাব্য মুই এলাও শোনং...

ওই সুঙলি নদীর ঘাট...
ওই নবীনের দোলা মাষানের পাট
ওই জুরাবান্দা ঠাকুর
ওই মুখাবাঁশীর সুর
মোক এলাং নিনের সিতান থাকি তোলে...

তোর মাটিকান
মোর মান সন্মান
মোর নাড়িপোতা থান
মোর চাতালের বান...
পাবে না কাও করিবার খান খান...

যেদিন আসরের সুরে ভিজিচিলো মোর ঘটের বিচিনা
সেদিন থাকি বিষহরি মাও মোর হইচে চিনাযাতনা...

শ্রী বিনন্দ বর্মন তুই কি
এলাং সুঙলির পুলের পাড়োত...
বা তোর মিতোরের বাড়িত তালিম দিস!

না আরও বিনোবালা দিদির বাদে আসিয়া স্বপন দিয়া যাস...


            হাউস
              রোহিত বর্মন

বাঁচিবার হাউস আছে এলাং ভাইল্লা
কিন্তুু বাঁচোং কাক নিয়া মানষি ভাইল্লা
বগলত নাই কাহো সগায় খালি দূরত!
আসবু বগল আছে তোর হিম্মত মুরাদ।

দূর থাকিয়া মানষি দেখে আর হাসে
বগলত আসির কলে সগায় কান্দে।
কিবা আছে মোর ধন সম্পদ ভান্ডার
নাই কিছুই পড়ি আছে খালি ভান্ডার।

বাঁচিবার হাউস আছে এলাং ভাইল্লা
মোর এই ফাকা জীবন সগে সাইল্লা!
কায় আদর করিবে মোক কন মোক
সগেই নিয়া গেইছে নাই দেংয়ে তোক।


Saturday, 29 February 2020

ভাওয়াইয়া-দোতরা পত্রিকা সংখ্যা পঞ্চম প্রকাশিত- ০১/০৩/২০২০




 ভাওয়াইয়া-দোতরা পত্রিকা সংখ্যা পঞ্চম
প্রকাশিত-
০১/০৩/২০২০

মনের কাথা 
       সুধাংশু বর্মন

পহেলা দিনে দেখিয়া বারে
 মনত খাইছে তোক
ক্যাংকরি কোম মনের কাথা
খুলিয়া বাড়ে তোক।
ভেল্লা দিন যাবার পরে...
উলসি উঠিল মন,
সরম -নইজ্জা ফেলেয়া বারে
নদীত দিলুং ঝাপ...
পহরিবার নাপায়া বারে
করং বাপরে বাপ!
কস্ট করি উজান যাছং
ধরিবারে তোক,
জলের সোসত ভাসিয়া যাছং
ক্যাংকরি ধরিম তোক।
দুই-পাও না-হয় গেলুং ভাটি
ডিক্কি ধরিম মাটি,
হুরহুরিয়া যাম উজিয়া
গন্তব্য খানত খাটি।
মনের কাথা মনোত থুইয়া
ধরসুং এই বার কমর ডিকিয়া.
লক্ষ্মী মাক আনির নাইগবে
এই বার ঘরকরিয়া।


ভাওয়াইয়া-দোতরা পত্রিকা সংখ্যা পঞ্চম
প্রকাশিত-
০১/০৩/২০২০

ন্ধু নিয়া শখের গীত গাও
          মঙ্গল বর্মন

ও মোর মাহুত বন্ধু রে যাইও হামার বাড়ি
কুনদিন হয় নাই তোমার সাথে আড়ি।
অবধের মিলনের বন্ধু প্রানেশ লয়ে
স্তোতে বাঁধা জল সাড়া নদী বয়ে।
একাকি ভাসে না নদী -দোলার পানার ফুল
তোর বান্ধুয়ার গাও মজিতে খসিল সোনার ফুল
তোর বান্ধুয়ার গাও মজিতে খসিল সোনার দুল।
তোর্সা টা পার হয়া কুচবিহার খান পায়া
গরুর গাড়িৎ নিয়া যাইম সখিক যায়া।
আর আছে কত কি দেখিবার টানে
সারা খান দেখিয়া জুরাইম হাউস না মেটে প্রাণে।
ভোমরা ফুলের গন্ধে তোমরা আজোও প্রেয়সী
সারা গাও ছড়াইল মোর তোমার ভালোবাসা।


ভাওয়াইয়া-দোতরা পত্রিকা সংখ্যা পঞ্চম প্রকাশিত-
০১/০৩/২০২০

 পুরাণ কাথা
          বিষ্ণু রায় 

হারেয়া গেইসে পয়াল খেড়ের ঘর,
                    নাই আর বাঁশের বিশোকর্মা।
হারাইসে দড়ি পাকা উঠকন,ঢেড়া,
                     নাই ঘরের দুয়ারের ডেওনা।
হারেয়া গেইসে হাচকিনি, বেধা,
                                আরও হারাইসে মই।
হারেয়া গেইসে গরুর বাথান,
                       হারাইসে গামছা বান্ধা দই।
হারেয়া গেইসে হাতুড়া, কুর্শি,
                     নাই ঝাবুরা উঠকা কারালি।
হারাইসে বাঁশের হাদালার চাঙড়া,
                  ঘরোত নাই আর চটি দাগিলি।
হারাইসে পয়াল খেড়ের সেজারি,
                       হারেয়া গেইসে ডার পাখা।
হারেয়া গেইসে ছাম,গাইন,
                           নাই চুরা ভুকিবার ঘাটা।
হারাইসে খরচ করিবার জাওলা,
                           হাটুয়া হারাইসে বাঙ্কুয়া।
হারেয়া গেইসে দেমনিয়ার প্রজা,
                 হারাইসে পুরান বোকাতি চুয়া।
হারেয়া গেইসে ডারিঘরটা,
                          নাই আর শিলিম হোকা।
হারেয়া গেইসে সরু ধানের চাউল,
           গসা হইসে ঠাকুরি কালাইর ছেকা।

ভাওয়াইয়া-দোতরা পত্রিকা সংখ্যা পঞ্চম প্রকাশিত-
০১/০৩/২০২০

      কইম
 রমেন বর্মন

খমকায় করি কইম...
ইকান ঘাটা কায় কায় আসিম একনা আতি নইম
আন্দার আতিত বালোবিলাই বোলে কইতোর নিগাইল পালে
মরিনাগি মোর খ্যায়াল নাই এলানা হইল ভালে
মনের কতা মোর মনোত পচিল কলুং হগহুজার
হাউসের পংকি মোর উড়ি গেইল দেখিয়া খাঁচার...

Saturday, 15 February 2020

ভাওয়াইয়া-দোতরা পত্রিকা।



ঐ নৌকা কান
 রমেন বর্মন
       

হিত্তি আসির না নাগে
টোপোলা টুপুলি গোটে কড়াল মতো ওটে চলি যাবু...

নৌকা'কান বান্দা আচে...

নদী যদি থলকূলও হয় তাও চড়বু
মুই ওটেকোনায় থাকিম...

রাতারাতি হামা চলি যামো
টুনি পোকির মাও ও যেনো না জানে...

তারপরে একেনা
নয়া উজান পাড়োত উটি অ্যামোন করি সংসার বান্দিমো
কাহো ট্যার পাবে না...

সেদিন মুই তোক ওকিনা কথা কইম...

কবি অজিত অধিকারীর দুইটা কবিতা;
যেমন ভাবঙ

যে গছের মুন্ড কাটি তোমরা কংক্রিট বসাইসেন , উয়ার মোর ভ্যালেনটাইন

যে নদী মানষির অনাচারে ঘাটা হারেয়া দুখী হয়া আছে
উয়ার সথে মোর পিরীতি

এমুন কথা ভাবিলে মোর ভালে দিন কাটে

যে সূরজ আলো দেয় ,উত্তাপ দেয় উয়াকে দেবতা বুলি জানঙ

যে মানষি মানষিক ভালোবাসে উয়াক মুই দেবতার সন্তান বুলি ভবঙ

এইল্যা ভাবিলে মোর দিন ভালে কাট

হামার গেরাম
কতবার হাত ফসকি বিরি যায় সুখ, তাও বাঁচি থাকে হামার গেরাম


কত নাকান কথা কয়া তোমরা শহরত চলি যান তাও বাঁচি থাকে গেরাম

মাইল মাইল কুয়াশা আসি পরে ধানখেতোত ,তাও বাঁচি থাকে গেরাম


এলাও আছে নইজ্যানাগা গৃহবধু

সূরজ ওঠে উড়ি যায় বুলবুলি
তাও বাঁচি থাকে হামার গেরাম

ভোট হয়
তোমরা আসি কন এবার বিপিএলত তুলি দিবেন হামার নাম


        জয় কামতাপুর
স্বপন কুমার রায়

বীরের রাজ্যত জন্ম মোর
বীর পুরুষে কয়।
জাতী নিয়া আন্দোলন করমো
না করি আর ভয়।

যুগ যুগ ধরি হামরা
অবহেলিত হইয়।
অধিকার নিয়ে লড়াই করমো
হামরায় হমো জয়ই।

বিশাল বড়ো রাজ্য হামার
চাইরো দিকে আছে ছড়ি।
আসাম,নেপাল,বিহার
বাংলাদেশের রংপুর থেকে ধরি।

একই সুরে কথাবলি
গাই ভাওয়াইয়া গান।
আব্বাস উদ্দিন,টিপুসুলতান
মানি -পঞ্চানন,ধনেশ্বরের অবদান।

দোতরা হামার সঙ্গের সাথী
বাঁশি, সারিন্ডার টান।
নানা ধরনের কৃষ্টি কালচার দেখলে
উওর বাংলায় যান।

কবির গান কবির লড়াই
সাইঢোল, কুষান মেচনির গান নাচ।
চাইরো দিকে যাক জমক থাকে।
সানাই ঢোলের বাজ।

   ঘাটা       
         রোহিত বর্মন
     
গাও ঘোস্টে যায় কত লোক হায়!
নায় দেখে তুই কায়!
মন খান ঠনঠনা হাটি যায় দনদন করি ঘোস্টে-

পাছিলা পাকোত মরং চিকরিয়া
কায় শুনে মোর আও সগায় যে....

মোর এই চিকরন আর কত দিন

টুটি মুখ ফাটি চিকরং খালি মুইয়ে

মুই চিকরং হয়তো পায় না শুনির, হয়তো বসি রয় দশ তালা বিল্ডিংত এক খান রাজকীয় সিংহাসন বসি!
মুই সগারে হইছোং উস্টা খাওয়া ঘাউয়া !
চোখের কাটা যে-----
কায় কি কয় কউক..

মুই তো মুইয়ে

Saturday, 8 February 2020

ভাওয়াইয়া-দোতরা সাহিত্য পত্রিকা তৃতীয় সংখ্যা প্রকাশিত ০৯/০২/২০



ছবি
 অজিত অধিকারী

গোয়ালপাড়িয়া গানের নাখান জাগি ওঠে ব্রহ্মপুত্রের সাকাল

খানেক দূরত ঘন বনখ্যাত হরিনগুলা ছবির নাখান
ডেনা মেলি উড়ি যায় পানকৌরী
মুই খালি শিলংসুন্দরীর কথা ভাবঙ


কত ঢক করি কঙ মোর ব্যাক্তিগত ব্যাথা

উপরোত পাহাড়,নিচ দিয়া বয়া যায় সুতার নাকান জল

পাহারোত কত নাকান গছ
গছগুলা শুষি নেয় মোর যত নীল

ভাল নাগে মোক যখন দ্যাখঙ
পাকদন্ডী ঘাটা দিয়া উড়ি যায় জীবনানন্দের গাংচিল

আমপুরি 
রমেন বর্মন


মাও মোর আমপুরি
এই যে দীঘিলা ঘাটা
ওদি ওদি ওদি যা তোর যমপুরী...

তুই না কইস মোক নিগির আইসে
একেনা 'চুপ' কথা কয়'য়া
গেইচে

এই যে তোর নাটি
এই যে নগর হাটের হাটি
খালি একান চাটি
যেকেনা চলি গেইল ওকিনায় সব খাটি...

হিসাব করি দ্যাকোং
খালি ছাই আর মাটি...


মা মোর 
    জয়ন্ত রায়

কুণ্ঠে হারায় গেল মা তুই
       মোক একলায় রাখিয়া,
বিতে ছে মোর দিন রাতি লা
        খালি মা তোর কাথা ভাবিয়া।
তোক দেখিবা নাপায়া মা গো
             মোর মনডা ছাপেছে,
মা তোর কাথা মনত ভাবিয়া
    দুইডা চখুতে মোর জল আসেছে।
মাথাডা সতরায় আদর করিয়া
   যেলা নিসিলো তুই মোক কলাত,
অইলা স্মৃতি এলাও মা মুই
         ফম রাখিসু মোর মনডাত।
নিন্দিবা যেবিলা যাসু মুই
        মোর ঘরের বিছানা খানত,
সেলায় তোক মুই দেখা পাছু
         মা মোর নিন্দের স্বপনত।
আয় না মা তুই ফিরিয়া একবার
         রহ না তুই মোর কাছত,
মনত মোর সুখ না লাগে
       এলা নাই যে মা তুই পাসত।
স্নেহ মমতায় আছে ভরা
        মা তোর ওই সুন্দর মনত,
খুঁজিয়া বেড়াছু মা তোক
        মুই এক অচেনা নয়া দেশত।


ছাড়াছাড়ি 
      পূজা রায়

সেই যে গেলু ছাড়ি
না দেখিলু ফিরি
রাইতে দিনে মনের আয়নাত
ভাসে তোমার ছবি।

মিষ্টি কথায় মোক ভোলেয়া
মনটা নিলু কারি
মনত দাগা দিলু তুই
অন্তর যায় জ্বলি।

রইয়া রইয়া কান্দোং মুই
তোমার নাম ধরি
পুরান দিনের স্মৃতি গিলা
মনত ওঠে ভাসি।

তাংও ভাল পাং তোক
যতয় দুঃখ দিস
শত কস্ট দিস মোকে
তুই ভালে থাকিস



ধারাবাহিক উপন্যাস

              হালুয়ার সংসার
                রোহিত বর্মন

  মজিবরের হালের গরু
-----------------------------
সগে ঋণত গেইল, মজিবর আর পায় না চার জনের সংসার চালের! নুন আনতে পান্তা ফুরায়, তারে মধ্যোত দুই দুইটা ছাওয়ার লেখা পড়ার খরচ। আমিনারো দেহা খান ভাল নোমাঞ একলায় আর কতলা কামাই করে মজিবর। আইতোত নিন আইসে না এইলা কথা ভাবিয়া। আপায় উপায় নাই মাথা চক্রর দেয় জালায় যন্ত্রণায় দেহা খানত জোড়ো নাই।
আতি পোহাইলে নৃপতি আসিবে সুদালি টাটা বুলির, একটাকাও তো নাই ঘরত হাত ফাকা ক্যাকরি দিম কালি যে উয়ার সুদের টাকা। নৃপতি যে লোক টাকা না দিলে তো মানির নায়।

 সাকাল সাকাল নিন থাকি নাই ওঠিতে নৃপতি আসিল কিরে মজিবর টাকা দে সুদের আর দেরি না করিস তোর মেলা বাহানা দেখলুং শুনলুং আর না ভাইও আজি টাকা দে না হইলে মুই যাবার নং রে । সুদে আসলে ভাইল্লা হইছে ভাইও আজি হিসাব বুঝি নিয়ায় যাইম ! মজিবরের চোখ মুখ লাল হয়া গেইল কি করিবে এলা ভাবিয়া কুল পায় না চিন্তায় চিন্তায় বসি পড়িলেক মজিবর। নৃপতি এমন আও শুনিয়া মজিবরের মাইয়া আমিনাও ঠস খায়া গেইল। আমিনা মজিবরের বগলত আসিয়া বসিল আর কয় এলা কি করমো ক্যাংকরি এমার পাইসা দিই। মজিবরের মুখ শুখি যাবার ধরিলেক দেহা ঝসি নালকাল হয়া গেইল কি করিবে এলা ভাবির পায় না। নৃপতি বসি অইতে অইতে চিংকরি উঠিল কি রে মজিবর কানত করা শোনধায় না মুই কি এটে সারা দিন বসি থাকিম, টাকা দে না হলে জিনিস দে আর তাও যদি না থাকে তোর তাহলে তোর চোদ্দ পুরুষের বাস্তুু ভিটা মাটি বেছে দে রে মজিবর মুই আর দেরি করির না পাং। মজিবর আর আপায় উপায় না পায়া ঘোষা হয়া কয়া ফেলাইল নৃপতি দা মোর হালের গরু দুইটায় নিয়া যা। আমিনা এইখান আও শুনিয়া চকটি উঠিল আর মজিবরক কয় হালের গরু দুইটা দিলে তোমা করিবেন কি? ক্যাং করি আবাদা করিবেন। মজিবর কয় দেখ আমিনা তাছাড়া আর কোন উপায় নাই হামার থেকে হালের গরুয় দেওয়া খাইবে হামাক! হালের গরুর কথা শুনিয়া নৃপতি গরু দুইটা হাত নিল ওমন দেখিয়া আমিনা ডোকরি কান্দির ধরিল আর হুশ ফিরি আসলে আমিনা যায়া নৃপতির দুই ঠ্যাং ধরিয়া গড়াগড়ি চালু করিলেক, মজিবর ফ্যালফ্যাল করিয়া চায়া দেখির নাগিল নৃপতি আর মাইয়া আমিনার কান্ড কৃতি কিন্তুু কি করিবে এক ভিদি মহাজনের জ্বালা আর এক ভেদি মাইয়ার কান্দন দেখিয়া মজিবরো হুশ হারা হয়া গেইল।
মহাজন নৃপতির মনত একনাও দয়া আসিল না আমিনার কাকুতি মিনতি সগ ফাও হয়া গেইল।
মজিবরের হালের গরু পায়া নৃপতি খিব খুশি হইল আর হালের গরু দুইটাক টানিতে টানিতে নিয়া যাবার ধরিল নৃপতি। গরু দুইটাও যাবার চায় না মজিবর আর আমিনাক ছাড়িয়া তাও নৃপতি টানি নিয়া যাবার ধরিল!মজিবর আর আমিনির দুই চোখ দিয়া পানি ঝড় ঝড়ে পড়িল নাগিল আর ফ্যাল ফ্যাল করি চায়া দেখির নাগিছে নৃপতি দুই পাশে দুইটা গরুক টানি নিয়া যাবার ধরিছে সরু আস্থা আবাদি ভুইন এর মধ্যে দিয়া!

    চলিবে


Friday, 7 February 2020

ভাওয়াইয়া-দোতরা পত্রিকা

ভাওয়াইয়া-দোতরা সাহিত্য পত্রিকা তৃতীয় সংখ্যা প্রকাশিত হবে ০৯/০২/২০